যমুনা প্রতিদিন
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
শিরোনাম
• কালিগঞ্জে মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে কাজী শরিফুলের ব্যতিক্রম উদ্যোগ • দুদক চেয়ারম্যানের ঢামেক হাসপাতাল পরিদর্শন, শুনলেন রোগীদের অভিযোগ • মধুপুরে মাদ্রাসার হেফজখানায় ১১ বছরের ছাত্রের হাত কাটার রহস্য নিয়ে উদ্বেগ • মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী • পাইকগাছায় উপজেলা সিএসও’র অর্ধ-বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত • বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থককে হত্যা • মান্দায় এমপি টিপুর হস্তক্ষেপে পাল্টে যাচ্ছে গ্রামীণ জনপথের চিত্র, কাজের মানে এলাকাবাসীর স্বস্তি • রাজশাহীতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি মন্ত্রীকে স্বাগত জানালেন রাসিক প্রশাসক
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

মধুপুরে মাদ্রাসার হেফজখানায় ১১ বছরের ছাত্রের হাত কাটার রহস্য নিয়ে উদ্বেগ

আঃ হামিদ, মধুপুর প্রতিনিধি: প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৫ পিএম

টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরশহরের পুন্ডুরা সেওড়াতলা এলাকার একটি মাদ্রাসার হেফজখানায় ঘুমন্ত অবস্থায় ১১ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর হাতের কব্জি কেটে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। কীভাবে তার হাত কাটল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য।

আহত শিক্ষার্থীর নাম সিফাত। সে ওই এলাকার রুবেল মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে খাবার খেয়ে পড়াশোনা শেষে মাদ্রাসার অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ে সিফাত। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে পাশের বিছানায় থাকা এক শিক্ষার্থী তাকে ডেকে বলে, তার বিছানা ভেজা কেন। তবে সিফাত কোনো সাড়া দেয়নি।

পরে ফজরের নামাজের সময় শিক্ষার্থীরা ঘুম থেকে উঠে বাতি জ্বালালে সিফাতের বিছানায় রক্ত দেখতে পায়। তাকে ডেকে তোলার পর দেখা যায়, তার হাতের কব্জিতে কাটা ক্ষত থেকে রক্ত ঝরছে।

বিষয়টি মাদ্রাসার শিক্ষকদের জানানো হলে বড় হুজুর মাওলানা নুরুল ইসলামসহ কয়েকজন শিক্ষক ঘটনাস্থলে আসেন। তাঁরা সিফাতের হাতের কব্জিতে কাটা দেখতে পেয়ে কাপড় দিয়ে ক্ষতস্থান বেঁধে দেন বলে জানিয়েছে পরিবার। পরে ফজরের নামাজ শেষে সিফাতের বাবাকে ফোনে বিষয়টি জানানো হয়।

খবর পেয়ে রুবেল মিয়া দ্রুত মাদ্রাসায় গিয়ে ছেলেকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার হাতের কব্জির ক্ষতস্থানে সেলাই করেন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ দেন।

ঘটনায় শিশুটির বাবা রুবেল মিয়া মধুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা নুরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

১১ বছরের শিশুটির হাত কীভাবে কাটল, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটিত হবে বলে আশা করছে পরিবার।

এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনায় এলাকায় বইছে নানা আলোচনা সমালোচনা। এলাকাবাসী এঘটনার সুষ্ঠতদন্তের মাধ্যমে আসল রহস্য উদঘাটন করার জন্য প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।