ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মার্চ ২০২৩, ১১ চৈত্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিশেষ বিজ্ঞপ্তি ::
দেশের জনপ্রিয় সর্বাধুনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণকৃত রাজশাহী কর্তৃক প্রকাশিত নতুনধারার অনলাইন নিউজ পোর্টাল 'যমুনা প্রতিদিন ডট কম' এ আপনাকে স্বাগতম...
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিককে রেল কর্মকর্তার হুমকির প্রেক্ষিতে মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ ৪০০ পথচারী রোজাদারের হাতে ইফতারি তুলে দিলেন  মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত মান্দায় প্রতিপক্ষের মারপিটে নারীসহ আহত ৫ সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম নুনু মিয়া গলাচিপায় জেলা প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা ঈশ্বরদীতে একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৮ শিক্ষক-কর্মচারীকে শোকজ মোরেলগঞ্জে বিশ্ব যক্ষা দিবস পালন বাগেরহাটে জাল টাকা ও সরঞ্জামসহ আটক ১ চিরকুমারত্ব ভেঙ্গে ৩৫ বছরের মেয়েকে বিয়ে করলেন ৭০ বছরের বৃদ্ধ

ফরিদপুরে পেঁয়াজ চাষীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন

মোঃ সাখাওয়াত হোসেন,ফরিদপুরঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:২৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১০৩ বার পড়া হয়েছে
যমুনা প্রতিদিন অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফরিদপুরের সালথা, নগরকান্দা ও ভাঙ্গা উপজেলা পেঁয়াজের জন্য বিখ্যাত।জেলার সালথা উপজেলায় এবছরে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১০ হাজার ৩৯৫ হেক্টর জমিতে।বর্তমানে হালি পেঁয়াজ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন এ উপজেলার চাষীরা।

পেঁয়াজ মসলা জাতীয় ফসল হওয়ায় পেঁয়াজ চাষ করে বছরের অর্থনৈতিক চাহিদা মিটিয়ে থাকেন তারা।গত বছর পেঁয়াজের দাম কম পাওয়ায় এবার লাভের আশায় সালথার চাষীরা পেঁয়াজ চাষ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

আজ সরেজমিনে পেঁয়াজ ক্ষেতে গিয়ে দেখা যায়, হালি পেঁয়াজের সবুজ গাছে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠ।ঠান্ডা ও কুয়াশা উপেক্ষা করে খুব সকালে চাষীরা টেঙ্গি হাতে নিয়ে পেঁয়াজ ক্ষেত পরিচর্যা কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

পেঁয়াজের চারাগুলোর গোঁড়ের দিকে টেঙ্গি দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে মাটি আগলা করে দিচ্ছেন।সেই সাথে সার ঔষুধ দেওয়া হচ্ছে।যাতে তারাতারি চারা গাছগুলো বড় হয়ে গাছ থেকে পেঁয়াজের গুটি নামতে শুরু করে।এছাড়া পেঁয়াজ ক্ষেতের ভিতরের ঘাস ও আবর্জনা পরিস্কার করছেন অনেকেই।

উপজেলার পেঁয়াজ চাষীরা জানান, গত বছর পেঁয়াজের দাম কম হওয়ায় অনেকেরই লোকসান গুণতে হয়েছে।গত বছরের লোকসান পুষিয়ে নিতে পেঁয়াজের যত্ন নিচ্ছেন তারা।এবার পেঁয়াজের ফলন ভাল হবে বলে আশা করছেন তারা।সার কীটনাশক, পানি ও সময় মতো রক্ষণাবেক্ষন করতে অনেক খরচ হয়।

ভাঙ্গা উপজেলার বালিয়াচরা গ্রামের পেঁয়াজ চাষি এবং পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মো. মাসুদ শেখ বলেন, সার, কীটনাশক, পানি, কৃষান- কামলা ইত্যাদির অনেক খরচ হয়।কিন্তু সেই অনুযায়ী আমরা দাম পাই না।

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ করছি আমরা (পেঁয়াজ চাষিরা) যেনো পেঁয়াজের ন্যায্য মূল্য পাই সেই ব্যবস্থা করবেন।

সালথা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জীবাংশু দাস বলেন, এবছর সালথা উপজেলায় পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১০ হাজার ৩শ ৯৫ হেক্টর।অর্জিত হয়েছে ১০ হাজার ৯শ ৭০ হেক্টর।পেঁয়াজ চাষিদের বীজ ও সারসহ প্রয়োজনীয় প্রণোদনা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।পেঁয়াজ চাষ ভাল হচ্ছে এবং ফলনও ভাল হবে বলে আশা করি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুরে পেঁয়াজ চাষীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন

আপডেট সময় : ০৯:২৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ফরিদপুরের সালথা, নগরকান্দা ও ভাঙ্গা উপজেলা পেঁয়াজের জন্য বিখ্যাত।জেলার সালথা উপজেলায় এবছরে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১০ হাজার ৩৯৫ হেক্টর জমিতে।বর্তমানে হালি পেঁয়াজ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন এ উপজেলার চাষীরা।

পেঁয়াজ মসলা জাতীয় ফসল হওয়ায় পেঁয়াজ চাষ করে বছরের অর্থনৈতিক চাহিদা মিটিয়ে থাকেন তারা।গত বছর পেঁয়াজের দাম কম পাওয়ায় এবার লাভের আশায় সালথার চাষীরা পেঁয়াজ চাষ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

আজ সরেজমিনে পেঁয়াজ ক্ষেতে গিয়ে দেখা যায়, হালি পেঁয়াজের সবুজ গাছে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠ।ঠান্ডা ও কুয়াশা উপেক্ষা করে খুব সকালে চাষীরা টেঙ্গি হাতে নিয়ে পেঁয়াজ ক্ষেত পরিচর্যা কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

পেঁয়াজের চারাগুলোর গোঁড়ের দিকে টেঙ্গি দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে মাটি আগলা করে দিচ্ছেন।সেই সাথে সার ঔষুধ দেওয়া হচ্ছে।যাতে তারাতারি চারা গাছগুলো বড় হয়ে গাছ থেকে পেঁয়াজের গুটি নামতে শুরু করে।এছাড়া পেঁয়াজ ক্ষেতের ভিতরের ঘাস ও আবর্জনা পরিস্কার করছেন অনেকেই।

উপজেলার পেঁয়াজ চাষীরা জানান, গত বছর পেঁয়াজের দাম কম হওয়ায় অনেকেরই লোকসান গুণতে হয়েছে।গত বছরের লোকসান পুষিয়ে নিতে পেঁয়াজের যত্ন নিচ্ছেন তারা।এবার পেঁয়াজের ফলন ভাল হবে বলে আশা করছেন তারা।সার কীটনাশক, পানি ও সময় মতো রক্ষণাবেক্ষন করতে অনেক খরচ হয়।

ভাঙ্গা উপজেলার বালিয়াচরা গ্রামের পেঁয়াজ চাষি এবং পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মো. মাসুদ শেখ বলেন, সার, কীটনাশক, পানি, কৃষান- কামলা ইত্যাদির অনেক খরচ হয়।কিন্তু সেই অনুযায়ী আমরা দাম পাই না।

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ করছি আমরা (পেঁয়াজ চাষিরা) যেনো পেঁয়াজের ন্যায্য মূল্য পাই সেই ব্যবস্থা করবেন।

সালথা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জীবাংশু দাস বলেন, এবছর সালথা উপজেলায় পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১০ হাজার ৩শ ৯৫ হেক্টর।অর্জিত হয়েছে ১০ হাজার ৯শ ৭০ হেক্টর।পেঁয়াজ চাষিদের বীজ ও সারসহ প্রয়োজনীয় প্রণোদনা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।পেঁয়াজ চাষ ভাল হচ্ছে এবং ফলনও ভাল হবে বলে আশা করি।