শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এক যুগ পরে নিজের গানে মডেল হলেন ফারদিন রাজশাহীতে বিএনপির গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের কক্ষে থেকে মাদক-অস্ত্র উদ্ধার ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কটুক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ বাঘায় (অনুর্ধ-১৭) প্রথম খেলায় ১-০ গোলে মনিগ্রাম ইউপি,দ্বিতীয় খেলায়-৩-১ গোলে পাকুড়িয়া জয়ী পাইকগাছায় প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও ঝাড়ু মিছিল একটি মানবিক আবেদন গলাচিপায় শিশু শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় মুগ্ধ হলেন পরিকল্পনা সচিব রাজশাহীতে ফজরের নামাজ পড়ে হাটাহাটির সময় যুবককে হত্যা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ফরিদপুর জেলা কমিটির উপদেষ্টা এ কে আজাদ এমপি
নোটিশ :
দেশের জনপ্রিয় সর্বাধুনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণকৃত রাজশাহী কর্তৃক প্রকাশিত নতুনধারার অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘যমুনা প্রতিদিন ডট কম’

কেশবপুরে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

কেশবপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকেরা।তবে মৎস্য ঘেরের সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ১ হাজার ৪শ‘৩০ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ না হওয়ায় এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হাজার ৭শ‘২৫ মেট্রিকটন ধান কম উৎপাদন হবে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে।ফলন না হওয়া ধানের বাজার মূল্য ২ কোটি ৭৮ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

সারা দেশের মধ্যে ধান-চালসহ বিভিন্ন খাদ্যশস্য উৎপাদনের উদ্বৃত্ত উপজেলা হিসেবে কেশবপুর উপজেলার পরিচিতি দীর্ঘদিনের।ধান খেতের মাঠগুলো এখন সোনালী রঙের আভায় এক অপরূপ সাজিয়েছে।বোরো ধানের সোনালী শীষ দোল খাচ্ছে বাতাসে।সেচ, আগাছা পরিষ্কারসহ সকল কাজ সম্পন্ন করে এখন ধান ঘরে তোলার স্বপ্নে বিভোর এ উপজেলার হাজারো কৃষক।

পুরো উপজেলায় এবার হাইব্রিড ছাড়াও উফশী ব্রি-ধান-২৮, ব্রি-ধান-৫০, ব্রি-ধান-৬৩, ব্রি-ধান-৭৪, ব্রি-ধান-৮৮ ও ব্রি-ধান- ১০০ জাতের ধানের আবাদ হয়েছে সবচেয়ে বেশী।

কৃষি অফিস জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে এ উপজেলায় ১৪ হাজার ৫‘শ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।ধানের উৎপাদন ধরা হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ৩শ‘০৭ মেট্রিকটন।আবহাওয়া অনুকুলে থাকলেও মৎস্য ঘেরের সৃষ্ট জলাবদ্ধার কারণে বিলের অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন সম্ভব না হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ৪শ‘৩০ হেক্টর কম জমিতে ধানের চাষ হয়।এরমধ্যে হাইব্রিড-৪ হাজার ১শ‘৭০ হেক্টর ও উফশী- ৮ হাজার ৯০০ হেক্টর জমি।ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় এবার ১০ হাজার ৭শ‘২৫ মেট্রিকটন ধান কম উৎপাদন হবে।যার বাজার মূল্য ২ কোটি ৭৮ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

ঘেরের পানি নিষ্কাশন সম্ভব না হওয়ায় উপজেলার বাগডাঙ্গা, পাঁজিয়া, কালিচরণপুর, বিলখুকশিয়া, কাটাখালি, মনোহরনগর, নারায়নপুর, হদ, তেঘরি, পর্চক্রা ও বাউশলা বিল এলাকার হাজারো কৃষক এবছর বোরো ধানের আবাদ করতে পারেনি।

ব্যাসডাঙ্গা গ্রামের কৃষক রেজাউল ইসলাম, মাগুরাডাঙ্গা গ্রামের কৃষক আব্দুল মজিদ জানান, তাদের গরালিয়া বিলের জমি ঘের মালিক সেলিমুজ্জামান আসাদের কাছে লিজ দেয়া হয়েছে।ঘের মালিক মাছ চাষের জন্যে প্রতি শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানি তুলে ঘের ভরাট করে।আবার ইরি বোরো মৌসুমে স্যালো মেশিন দিয়ে ঘেরের পানি নিষ্কাশন করলে কৃষকরা ধান আবার জলাবদ্ধতার কারণে বিলের ১ হাজার বিঘা জমিতে এবার বোরো আবাদ হয়নি।

তেঘরী গ্রামের মাওলানা মছিউর রহমান জানান, তাদের এলাকার বিলে ধান চাষ করতে নাপারার কারন মৎস্য ঘের মালিকরাই দায়ী।

উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদা আক্তার বলেন, পাউবো নদী খাল খনন করলেও শ্রীনদীর নাব্যতা না থাকায় তা আবারও পলীতে ভরাট হয়ে গেছে।যে কারণে ঘেরের পানি নিষ্কাশন সম্ভব না হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ৪শ‘৩০ হেক্টর কম জমিতে ধানের আবাদ হয়।কৃষকের চাহিদামত সার, বীজের কোনো ঘাটতি ছিল না, আবহাওয়াও ছিল অনুকুলে।ইতোমধ্যে উজেলার অনেক এলাকায় ধান কাটা শুরু হয়েছে।সবকিছু ঠিক থাকলে এবার ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে কৃষকরা আশা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

11 − five =


অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ

x
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com