বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০১:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহী বিভাগের ১৯ উপজেলার চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহণ দ্রুত সময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ বিষয়ে রাসিকের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ‘প্রধানমন্ত্রী ঘর দিছে,বৃষ্টির দিনেও শান্তিতে থাকতে পারমু’ বর্তমান কমিটিকে অবৈধ ঘোষণা করে আওয়ামী আইনজীবীদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন পবায় সংবাদ প্রকাশের পরেও থামছেনা পুকুর খননের মাটি বিক্রি সারিয়াকান্দিতে ভূমিসেবা সপ্তাহে বির্তক,কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ লফস এর আয়োজনে উম্মুক্ত স্থানের বাজেট বরাদ্দ ও গাইড লাইন শীর্ষক আলোচনা সভা সারিয়াকান্দিতে ওয়ার্ড কমিটির সমন্বয় (wc) সভা অনুষ্ঠিত সারিয়াকান্দিতে ওয়ার্ড কমিটির সমন্বয় (wc) সভা অনুষ্ঠিত আসামীর বোনের বিরুদ্ধে মামলার বাদীকে হত্যার চেষ্টা,থানায় অভিযোগ
নোটিশ :
দেশের জনপ্রিয় সর্বাধুনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণকৃত রাজশাহী কর্তৃক প্রকাশিত নতুনধারার অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘যমুনা প্রতিদিন ডট কম’

দুর্গাপুরে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে রাতের আঁধারে আবাদি জমিতে পুকুর খনন

উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে দুর্গাপুর উপজেলায় পলাশবাড়ীয়ায় প্রায় ২৪ বিঘা আবাদি জমি কেটে পুকুর খনন করছেন একটি প্রভাবশালী মহল।ওই মহল কৃষক লীগের নাম ব্যবহার করে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে গভীর রাতে পুকুর খনন করছেন।ওই প্রভাবশালী মহলের নিজেদের কোনো জমি নাই।তারা অন্যের জমি বর্গা নিয়ে টাকার বিনিময়ে রাতের আঁধারে পুকুর কাটার কাজ করছে।

৩০ এপ্রিল (মঙ্গলবার) রাতে সরেজমিনে গিয়ে উক্ত স্থানে পুকুর খনন ও মাটি বিক্রির চিত্র দেখা যায়।কিছুক্ষণ পরপর ট্রলারে করে বিভিন্ন ভাটায় চলে যাচ্ছে খননকৃত মাটি।

জানা গেছে, চক্রটির মূলহোতা রোকন ও রবিউল।তারা উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অবৈধ ওই পুকুর খনন করছে।মাটি বিক্রির উল্লাস করে যাচ্ছে।যেখানে উচ্চ আদালতের সরাসরি নিষেধাজ্ঞা আছে।সেখানে আদালতের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে পুকুর খনন অব্যাহত রাখছে ওই প্রভাবশালী মহল।কে এই রোকন যে নিজের জমি না হলেও অন্যের জমি খননের দায়িত্ব নিয়ে টাকার বিনিময়ে প্রশাসন ম্যানেজ করে রাতের আঁধারে ফসলি জমিতে পুকুরে পরিণত করছে।এমনকি পুরাতন পুকুরগুলি পাড় বাঁধার কথা বলে সেখানকার খননকৃত মাটি বিভিন্ন ভাটায় বিক্রি করে আসছে।

পুকুর খনন স্থলে গেলে স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, একদিকে পুকুর খননের মাটি বহনকারী গাড়ি রাস্তা নষ্ট করছে।অপরদিকে পাশের আবাদি জমি’র ফসল নষ্ট করছে। ইউএনও, এসিল্যান্ড, থানার ওসিকে ম্যানেজ করে সারারাত পুকুর খননের কাজ চলমান রাখা হয়েছে বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ।

ভেকু ড্রাইভার রোকনের নাম্বরে কল দিলে রোকন মিডিয়া কর্মীদের জানায়, আমি ম্যানেজ করে কাজ করছি।তার কাছে অনুমোদনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনুমোদন লাগে না আমাদের।আমরা দল করি আমরাই তো সব।অনুমোদন কে দিবে? প্রশাসন ম্যানেজ সব ম্যানেজ।

জানতে চাইলে দুর্গাপুর থানার ওসি খাইরুল ইসলাম বলেন, আমরা যেয়ে কোন কিছু পাই নাই, কিন্তু এলাকাবাসীর কথায় আমরা জানতে পারি পুকুরের জমিটা দুর্গাপুর ও পবা থানার মাঝামাঝি এলাকায়।এই বিষয়টা কনফার্ম হওয়ার জন্য আমরা পবা থানায় ফোন করলে ওসি সোহরাওয়ার্দী তাঁর ফোর্স পাঠায় এবং তারা এসে কনফার্ম করে যায় এটা দুর্গাপুর থানার মধ্যে পড়ছে।দুর্গাপুর থানার কোন ফোর্স না পাঠিয়ে ওসি বলেন আমি ফোর্স পাঠাইছি কোন কিছু চোখে পড়ে নাই।

কথা বললে দুর্গাপুর উপজেলা নিবার্হী অফিসার স্বীকৃতি প্রামানিক বলেন, আমার বিষয়টি জানা নেই।তবে আপনারা আমাকে তথ্য দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

17 + sixteen =


অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ

x