শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী রমজানে স্বপ্নবাজ‘র উদ্যোগে দোয়া মুখস্থ ও জ্ঞানার্জন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ লন্ডনে প্রবাসীদের সাথে ঈদ উদযাপন প্রতিমন্ত্রী দারার যদুনাথ রি-ইউনিয়ন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২৪ সিজন-৪ অনুষ্ঠিত রাজশাহীর বাঘায় চলছে প্রকাশ্যে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি সারিয়াকান্দিতে আগুনে পুড়ে ছাই কৃষকের গোয়ালঘর ও গবাদি পশু : ৪ লক্ষ টাকার ক্ষতি সারিয়াকান্দিতে আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী লিখন মিয়া আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে জনগণকে দিতে,আর বিএনপি আসে নিতে : প্রধানমন্ত্রী সচ্ছল ব্যক্তিদেরকে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঈদের দিনে উপচে পড়া ভিড় সারিয়াকান্দির পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে
নোটিশ :
দেশের জনপ্রিয় সর্বাধুনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণকৃত রাজশাহী কর্তৃক প্রকাশিত নতুনধারার অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘যমুনা প্রতিদিন ডট কম’

বন্যপ্রানীর পরে এবার শুরু হয়েছে সুন্দরবনের গাছ গননার কাজ

বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষিত বনভূমি সুন্দরবনে গাছের প্রজাতি ও পরিমাণ জানতে গণনা শুরু হয়েছে।বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই গাছ গণনার কাজ আগামী তিন মাসের মধ্যে শেষ করবেন বনরক্ষীরা বলে জানায় বিভাগীয় বন কর্মকৃর্তা।

সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে ৬ হাজার ১৭ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই ম্যানগ্রোভ বনের ৪ হাজার ১৪২ দশমিক ৬ বর্গ কিলোমটিার স্থল ভাগে কতো প্রজাতির ও কি পরিমাণ গাছপালা রয়েছে তা জানতে এই জরিপ চালানো হচ্ছে।সুন্দরবন বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সুন্দরবন বিভাগের দেওয়া তথ্য বলছে, ১৯০৩ সালে গবেষণায় সুন্দরবনে সুন্দরী, গেওয়া, গরান, পশুর, কাঁকড়া, কেওড়া, ধুন্দল, বাইন, খলসি, আমুর, সিংড়াসহ ৩৩৪ প্রজাতির গাছপালা, ১৬৫ প্রজাতির শৈবাল ও ১৩ প্রজাতির অর্কিড ছিল।

১৯৮৫ সালের জরিপে সুন্দরবনে অরণ্য ও গুল্ম প্রজাতির সংখ্য কমে দাড়ায় ৬৬ প্রজাতিতে।১৯৯৭ সালের জরিপে সুন্দরবনে মাত্র ৪৮ প্রজাতির উদ্ভিদ ছিলো।

এ অবস্থা থেকে ২০১৪-১৫ সালের সর্বশেষ জরিপে সুন্দরবনে গাছের প্রজাতির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৪টিতে।

এর মধ্যে ৫৪ প্রজাতির গাছ, ২৮ প্রজাতির লতাপাতা, ১৩ প্রজাতির গাছড়া, ২২ প্রজাতির গুল্ম, ১৩ প্রজাতির ফার্ন, ১২ প্রজাতির অর্কিড, ৩ প্রজাতির পরজীবী উদ্ভিদ, ২ প্রজাতির পাম, ২৮ প্রজাতির ঘাষ, ও ৯ প্রজাতির ছত্রাক উদ্ভিদ রয়েছে সুন্দরবনে।

বর্তমানে সুন্দরবনে এসব উদ্ভিদের মধ্যে ৭০ শতাংশই হচ্ছে সুন্দরী, গেওয়া ও গরান গাছ।তবে, এসব উদ্ভিদের মধ্যে বিপন্ন প্রজাতির তালিকায় থাকা ৫ প্রজাতির উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে লাহুর, বনবকুল, মহাজনি লাতা ও দুই প্রজাতির অর্কিড।

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিম জানান, বাংলাদেশর সমগ্র সুন্দরবনের স্থলভাগে কতো প্রজাতির ও কি পরিমান গাছপালা রয়েছে তা জানতে শুরু হয়েছে ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইড সংরক্ষিত এই বনভূমির গাছ জরিপের কাজ।

তিনি আরো বলেন, বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে বনকর্মীরা আগামী তিন মাসের মধ্যে এই গণনার কাজ শেষ করবে।এরপর জানা যাবে বর্তমানে সুন্দরবনে কত প্রজাতির ও কি পরিমাণ গাছ রয়েছে তা নির্নয় করা যাবে বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nineteen − fourteen =


অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ

x