ঢাকা ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ১৫ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
দেশের জনপ্রিয় সর্বাধুনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণকৃত রাজশাহী কর্তৃক প্রকাশিত নতুনধারার অনলাইন নিউজ পোর্টাল 'যমুনা প্রতিদিন ডট কম' এ সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী শ্যামল শীলের পরিবারকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক,যমুনা প্রতিদিন
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৩ ২৩ বার পড়া হয়েছে
যমুনা প্রতিদিন অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায় হাড়িভাঙ্গা এলাকার নাটানা গ্রামের প্রামানিক পাড়ায় শ্যামলদের বসবাস।নিজেদের বসতভিটে টুকুই তাদের একমাত্র সম্বল। গোলপাতার ছাউনিতে জরাজীর্ণ একটি ঘরের পাশে ছোট্ট অন্য একটি ঘর আছে শ্যামলদের।রান্নার জন্য ছোট উঠানের মধ্যে অস্থায়ী ছাউনির ব্যবস্থা করে সেখানে আছে একটি লাকড়ির চুলা।এটুকুই শ্যামলদের নিজেদের সম্পদের বিবরণ।

শ্যামল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ ব্যাচের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র।ছোট ভাই স্বপন শীল আশাশুনি সরকারী কলেজের অর্নাস প্রথম বর্ষের ছাত্র।

বংশগতভাবে প্রমানিক হলেও পরিবারের কেউ চুলকাটা পেশার সাথে জড়িত নয়।পরিবারের সকলের ভরণপোষণের দায়িত্ব যখন শ্যামলের বাবার উপরে তখন এই দায়িত্বের গুরুভার পালনের জন্য তিনি খুঁজে নিয়েছিলেন বিকল্প পথ।অন্যের ক্ষেতে খামারে,চিংড়ী ঘেরে দিনমজুরের কাজ করে যা পায় তাই দিয়েই পরিবারের ভরণপোষণ করেন।শ্যামলের মা ও সকাল বিকাল অন্যের জমিতে কাজ করেন।মাঝেমধ্যে হিমশিম খেলেও শ্যামলের বাবা মা দুই ছেলের পড়ালেখার খরচ চালিয়ে নিতে পিছপা হননি।ঢাকায় থাকাকালীন নিজের পড়ালেখার পাশাপাশি টিউশন করে শ্যামল নিজের হাত খরচ চালাত।ছোট ভাই স্বপন খুবই ভদ্র এবং শান্ত স্বভাবের।

বাবা মায়ের কষ্ট সে অন্তর দিয়ে অনুভব করতে পারে। তাই নিজের পড়াশুনার পাশাপাশি মাঝেমধ্যে অন্যের জমিতে দিনমজুরের কাজ করে সংসারের খরচে সামান্য যোগান দেয়।

কিন্তু মাঝ দিয়ে শ্যামলের বাবার হঠাৎ এক রোগ দেখা দিয়ে সবকিছু উলট পালোট করে দিল।গলা দিয়ে কাশির সাথে রক্ত ওঠা।নিন্মবিত্ত পরিবারে যেখানে দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন যোগানো কঠিন হয়ে পড়ে সেখানে পরিবারের কারো ডাক্তার দেখানো যে সত্যিই রূপকথার গল্পের মতো।তারপরেও অন্যের থেকে ধার দেনা করে শ্যামলের বাবার ডাক্তার দেখানো হয়েছে।কিন্তু কোন উন্নতি হয়নি।এদিকে শ্যামলের মায়ের বিভিন্ন এনজিও থেকে নেওয়া চড়া সুদের ঋণের বোঝার ভার ও বেড়েই চলেছে।

দিনের পর দিন শ্যামলের বাবার পরিস্থিতি খুব খারাপের দিকে যাচ্ছে।শ্যামলের মা শুধুমাত্র আর্থের টানাপোড়নে বাধ্য হয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছেন।

সত্যিই বেদনাদায়ক।২০২১ সালের ৭ জুলাই শ্যামলের পিতা পরলোকগমন করেন।তাই শ্যামলদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে,একটি পরিবারকে নিশ্চিত ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে যদি কেউ সামান্য তম এগিয়ে আসেন তাহলে তাতে বেঁচে যাবে শ্যামলের একটি পরিবার, সাথে তিন তিনটি জীবন। সকাল সন্ধ্যা কাজ করে টাকা রোজগার করবে তার মা। সকল ঋণ শোধ করবে।তার খুব ইচ্ছা শ্যামল পড়ালেখা শেষ করে চাকরি করে একদিন সংসারের সকল অভাব অনটন কেটে যাবে।কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি যদি ছোট্ট একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই তাহলে তাতেই খুশি শ্যামলদের পরিবার।

শ্যামলের মোবাইল নম্বর (বিকাশ সহ)+৮৮-০১৭৩৪৫৭৩৯০৭।

নগদঃ ০১৮৬৯৩৮৬৭৩২

একাউন্ট নাম্বার: ০৯৯১২১০০০৪০৩১৭।

নাম: শ্যামল শীল, ব্রাঞ্চ: এক্সিম ব্যাংক, ইসলামপুর, ঢাকা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী শ্যামল শীলের পরিবারকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন

আপডেট সময় : ০২:০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৩

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায় হাড়িভাঙ্গা এলাকার নাটানা গ্রামের প্রামানিক পাড়ায় শ্যামলদের বসবাস।নিজেদের বসতভিটে টুকুই তাদের একমাত্র সম্বল। গোলপাতার ছাউনিতে জরাজীর্ণ একটি ঘরের পাশে ছোট্ট অন্য একটি ঘর আছে শ্যামলদের।রান্নার জন্য ছোট উঠানের মধ্যে অস্থায়ী ছাউনির ব্যবস্থা করে সেখানে আছে একটি লাকড়ির চুলা।এটুকুই শ্যামলদের নিজেদের সম্পদের বিবরণ।

শ্যামল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ ব্যাচের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র।ছোট ভাই স্বপন শীল আশাশুনি সরকারী কলেজের অর্নাস প্রথম বর্ষের ছাত্র।

বংশগতভাবে প্রমানিক হলেও পরিবারের কেউ চুলকাটা পেশার সাথে জড়িত নয়।পরিবারের সকলের ভরণপোষণের দায়িত্ব যখন শ্যামলের বাবার উপরে তখন এই দায়িত্বের গুরুভার পালনের জন্য তিনি খুঁজে নিয়েছিলেন বিকল্প পথ।অন্যের ক্ষেতে খামারে,চিংড়ী ঘেরে দিনমজুরের কাজ করে যা পায় তাই দিয়েই পরিবারের ভরণপোষণ করেন।শ্যামলের মা ও সকাল বিকাল অন্যের জমিতে কাজ করেন।মাঝেমধ্যে হিমশিম খেলেও শ্যামলের বাবা মা দুই ছেলের পড়ালেখার খরচ চালিয়ে নিতে পিছপা হননি।ঢাকায় থাকাকালীন নিজের পড়ালেখার পাশাপাশি টিউশন করে শ্যামল নিজের হাত খরচ চালাত।ছোট ভাই স্বপন খুবই ভদ্র এবং শান্ত স্বভাবের।

বাবা মায়ের কষ্ট সে অন্তর দিয়ে অনুভব করতে পারে। তাই নিজের পড়াশুনার পাশাপাশি মাঝেমধ্যে অন্যের জমিতে দিনমজুরের কাজ করে সংসারের খরচে সামান্য যোগান দেয়।

কিন্তু মাঝ দিয়ে শ্যামলের বাবার হঠাৎ এক রোগ দেখা দিয়ে সবকিছু উলট পালোট করে দিল।গলা দিয়ে কাশির সাথে রক্ত ওঠা।নিন্মবিত্ত পরিবারে যেখানে দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন যোগানো কঠিন হয়ে পড়ে সেখানে পরিবারের কারো ডাক্তার দেখানো যে সত্যিই রূপকথার গল্পের মতো।তারপরেও অন্যের থেকে ধার দেনা করে শ্যামলের বাবার ডাক্তার দেখানো হয়েছে।কিন্তু কোন উন্নতি হয়নি।এদিকে শ্যামলের মায়ের বিভিন্ন এনজিও থেকে নেওয়া চড়া সুদের ঋণের বোঝার ভার ও বেড়েই চলেছে।

দিনের পর দিন শ্যামলের বাবার পরিস্থিতি খুব খারাপের দিকে যাচ্ছে।শ্যামলের মা শুধুমাত্র আর্থের টানাপোড়নে বাধ্য হয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছেন।

সত্যিই বেদনাদায়ক।২০২১ সালের ৭ জুলাই শ্যামলের পিতা পরলোকগমন করেন।তাই শ্যামলদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে,একটি পরিবারকে নিশ্চিত ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে যদি কেউ সামান্য তম এগিয়ে আসেন তাহলে তাতে বেঁচে যাবে শ্যামলের একটি পরিবার, সাথে তিন তিনটি জীবন। সকাল সন্ধ্যা কাজ করে টাকা রোজগার করবে তার মা। সকল ঋণ শোধ করবে।তার খুব ইচ্ছা শ্যামল পড়ালেখা শেষ করে চাকরি করে একদিন সংসারের সকল অভাব অনটন কেটে যাবে।কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি যদি ছোট্ট একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই তাহলে তাতেই খুশি শ্যামলদের পরিবার।

শ্যামলের মোবাইল নম্বর (বিকাশ সহ)+৮৮-০১৭৩৪৫৭৩৯০৭।

নগদঃ ০১৮৬৯৩৮৬৭৩২

একাউন্ট নাম্বার: ০৯৯১২১০০০৪০৩১৭।

নাম: শ্যামল শীল, ব্রাঞ্চ: এক্সিম ব্যাংক, ইসলামপুর, ঢাকা।