শুক্রবার, ০৩ মে ২০২৪, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহীতে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে গ্লুকোজ বিতরণ রাজশাহীতে দৈনিক মানবিক বাংলাদেশ পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন দুর্গাপুরে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে রাতের আঁধারে আবাদি জমিতে পুকুর খনন মোহনপুরে মদ্যপান অবস্থায় বাইক আরোহী নিহত,আহত ২ মান্দায় মহান মে দিবস পালিত মে দিবসে খাবার স্যালাইন,ক্যাপ ও পানি বিতরণ করল রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড জাতীয় শ্রমিক লীগ রাজশাহী মহানগরের উদ্যোগে মহান মে দিবস পালন সারিয়াকান্দিতে দর্জি শ্রমিক ইউনিয়নের মহান মে দিবসে র‌্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ সারিয়াকান্দিতে মে দিবস উপলক্ষে শ্রমিক দলের র‍্যালী ও শ্রমিক সমাবেশ সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
নোটিশ :
দেশের জনপ্রিয় সর্বাধুনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণকৃত রাজশাহী কর্তৃক প্রকাশিত নতুনধারার অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘যমুনা প্রতিদিন ডট কম’

সুন্দরগঞ্জের তারাপুর ইউনিয়ন গ্রাম আদালতে ৫ মাসে ৪৬ মামলা নিষ্পত্তি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে গত ৫ মাসে ৪৬টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।চলমান রয়েছে ৩টি মামলা।এরমধ্যে ফৌজদারী ১৪টি, দেওয়ানী ৩২টি।

ইতিমধ্যে ব্যাপক সারা জাগিয়েছে তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের কার্যক্রম।অভিজ্ঞ মহল বিষয়টিকে ইতবাচক মনোভাব হিসেবে দেখছেন।মামলার রায়প্রাপ্ত সাধারণ মানুষ অনেক খুশি।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকারে বিভাগের পরিপত্র মোতাবেক ইউপি চেয়ারম্যানগণ গ্রাম আদালতের মাধ্যমে গ্রাম-গঞ্জের ছোটখাট বিরোধসমুহ নিরসন করে আসছেন।অনেক চেয়ারম্যান বিষয়টিকে আন্তরিকার সহিত গ্রাম আদালত পরিচালনা করলেও অনেকে তা করছেন না।

উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম দীর্ঘদিন হতে অত্যন্ত নিষ্টার সাথে জেলা আদালতের আদলে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে মামলা পরিচালনা ও নিষ্পত্তি করে আসছেন।

গ্রাম আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করছেন গ্রাম আদালত সহকারি মমেদা খাতুন।

সপ্তাহের প্রতি শনিবার গ্রাম আদালত পরিচালিত হয়।

সুবিধাভোগী আকবর আলী জানান, গ্রাম আদালতের মাধ্যমে তিনি জমি-জমার একটি বিরোধের রায় পেয়েছেন। এতে তার সামন্য টাকা খরচ হয়েছে।তিনি মনে করেন ন্যায় বিচার পেয়েছেন।কোর্ট কাচারিতে মামলা করতে গেলে অনেক টাকা লাগত।পাশাপাশি ঝামেলা পোয়াতে হত অনেক।

গ্রাম আদালত সহকারি মমেদা খাতুন জানান, আদালতের আদলে তারা মামলা পরিচালনা করে থাকেন।মামলা খরচ বাবদ ৩০০ টাকা নেয়।গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে বাদী ও বিবাদীকে নোটিশ করা হয়।একদিনে নিষ্পত্তি না হলে পরবর্তীতে তারিখ নির্দারণ করা হয়।

ইউপি চেয়ারম্যান জানান, বাদী ও বিবাদী বক্তব্য শুনে বোর্ড গঠনের মাধ্যমে সুষ্ঠু ও ন্যায় সংগত বিচার করা হয়।কোন প্রকার হয়রানি করা হয় না।গত ৫ মাসে ৪৬টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো, মাসুদুর রহমান জানান, তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আন্তরিকতার সহিদ গ্রাম আদালত পরিচালনা করায় তাঁর ইউনিয়নে এটি সম্ভব হয়েছে।সকল চেয়াম্যানগণ এভাবে গ্রাম আদালত পরিচালনা করলে থানায় এবয় জেলা আদালতে মামলা অনেক কমে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

20 − 18 =


অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ

x