যমুনা প্রতিদিন
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
শিরোনাম
• আগে পুনর্বাসন পরে উন্নয়ন-ভূমিহীনদের অধিকার আদায়ে রংপুরে ভূমিহীন আন্দোলনের সমাবেশ • শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন : লায়ন গনি মিয়া বাবুল • কৃষক অ্যাক্টিভিস্টদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত • নন্দীগ্রামে জেলা পরিষদের ডাকবাংলো ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি মোশারফ • রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দরিদ্রদের মাঝে সহায়তা প্রদান • সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ জিম্মি ৫ জেলে উদ্ধার • চট্টগ্রামে অপহরণ, ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা : ঢাকায় প্রধান পলাতক আসামি গ্রেপ্তার • শিবগঞ্জে জমি দখলের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে এক্সিম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী

ইমাম হাসান জুয়েল
ইমাম হাসান জুয়েল জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে এক্সিম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১০টায় এক্সিম বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এক্সিম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শফিকুল বারী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম এবং রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. জিয়াউর আহসানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শফিকুল বারী বলেন, “কাজী নজরুল ইসলাম শুধু একজন কবি বা সাহিত্যিক নন, তিনি ছিলেন সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর লেখনীতে শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সাম্যের বাণী ফুটে উঠেছে। নজরুলের আদর্শ ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। পড়াশোনার পাশাপাশি সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের মেধা ও মননশীলতার বিকাশ ঘটাতে হবে। সাংস্কৃতিক চর্চা শিক্ষার্থীদের মানবিক, উদার ও অসাম্প্রদায়িক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনাদর্শ অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ ও ন্যায়বোধে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

নজরুলের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে ধারণ করে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।