যমুনা প্রতিদিন
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
শিরোনাম
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

দাকোপে খাল উদ্ধার অভিযান, অবৈধ জাল অপসারণে কঠোর প্রশাসন

স্বপন কুমার রায়, খুলনা : প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪০ এএম

খুলনার দাকোপ উপজেলায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং চলতি মৌসুমে দ্রুত পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করতে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

জনদুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ খালগুলো থেকে অবৈধ জাল, বাঁধ ও পানিপ্রবাহে  প্রতিবন্ধকতা অপসারণের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

সোমবার ০২ নভেম্বর দুপুর ১২ টারদিকে কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের ধোপাদী, বোর্টবাড়ি, মাতৃমন্দির, গাধামারি, ভুটেমারি, দোলখোলা, ঘোলেরখাল খালে যৌথ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ১০টি চায়না দুয়ারী জাল, ২৫ টি রিং জাল, ২টি পাটা, ৩৫টি নেটজাল, ১০টি মশারি জাল, ৩০টি চাই এবং বিপুল পরিমাণ বাঁশের খুঁটি অপসারণ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

এছাড়া চড়া নদী ও হরিণটলা খালে একাধিক এই দুয়ারী জাল ও পাটা দিয়ে চারা মাছ নষ্ট করছে একশ্রেণীর দুর্বৃত্তরা। চড়া নদীতে নদী ইজারা কারি নিজেই দুয়ারী জাল দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে রেখেছে। বারবার উপজেলা  বর্ষ উপজেলা মৎস অধিদপ্তরে জানালেও এর কোন প্রতিকার পাইনি এলাকাবাসী।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বোরহান উদ্দিন মিঠু ও দাকোপ উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আবুবকর সিদ্দিক।

এ সময় দাকোপ থানার নৌ পুলিশের নেতৃত্বে ও থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা করেন।

এর আগে গত  ২১ ও ২৮ জুলাই এবং ১০ আগস্ট পানখালী মমতাজ স্কুল সড়ক সংলগ্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ খালে ও দাকোপ এবং পানখালী ইউনিয়নের ৪টি খালে উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে অবৈধ জাল, বাঁধ ও পাটা স্থাপন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এর বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলছে এবং চলমান থাকবে।