যোগদানের পরই মধুপুর থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রশংসিত ওসি ফজলুল

টাঙ্গাইলের মধুপুর থানায় যোগদানের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন একে এম ফজলুল হক।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান, জুয়া প্রতিরোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাঁর তৎপরতা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। তাঁর নেতৃত্বে মধুপুর থানার পুলিশি কার্যক্রমে গতি এসেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
থানায় যোগদানের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন ওসি একে এম ফজলুল হক। পাশাপাশি অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনো-সংশ্লিষ্ট জুয়ার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন তিনি।অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
বিশেষ করে উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের শোলাকুড়ী দীঘিরপাড় এলাকার বিএনপি নেতা মিঠুর মা জালেমন বেগম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং এ ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তাঁর ভূমিকা আলোচনায় আসে। এ ছাড়া ধর্ষণচেষ্টা মামলার এক আসামিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন মামলার আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনায় পুলিশের এ কর্মকর্তার প্রতি স্থানীয়দের প্রশংসা বেড়েছে।
মাদক নির্মূলে শুধু অভিযান পরিচালনাতেই সীমাবদ্ধ নেই তাঁর কার্যক্রম। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মাদকবিরোধী সভা ও সচেতনতামূলক সেমিনার আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষ যেন থানায় এসে সহজে তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারেন এবং হয়রানি ছাড়াই পুলিশি সেবা পান, সে বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন।
পুলিশের দায়িত্বশীল পদে থেকে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যোগদানের অল্প সময়ের মধ্যে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া একে এম ফজলুল হকের কর্মদক্ষতার একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মধুপুরবাসীর প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার কার্যক্রম আরও জোরদার হবে। পাশাপাশি জনবান্ধব পুলিশিং, মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গঠন এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের মধ্য দিয়ে মধুপুর থানার সেবার মান আরও উন্নত হবে।
