যমুনা প্রতিদিন
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
শিরোনাম
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

প্রধানমন্ত্রীর সাথে চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সমঝোতা স্মারক

মাসুদ রানা
মাসুদ রানা উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম

ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিআরসিসি) অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এ চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

বৃহস্পতিবার মোংলা বন্দরে ‘মোংলা বন্দরের সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের আগে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেন চীনা প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। এ সময় ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম এবং মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা উপস্থিত ছিলেন।

সিআরসিসির সহযোগী প্রতিষ্ঠান চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিসিইসিসি) চেয়ারম্যান লি চংইয়াং সিআরসিসির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, সিআরসিসি ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগকারী হিসেবে কাজ করবে। অন্যদিকে, ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিনিয়োগ সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করবে। চুক্তিতে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্প বিনিয়োগ, জ্বালানি, লজিস্টিকস, বন্দর উন্নয়ন, উৎপাদনশিল্প, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, পরামর্শক সেবা এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগসহ ১৪টি বিস্তৃত সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে।

দেশে অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিল্পায়নের মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির সরকারি লক্ষ্যের সঙ্গে এ সমঝোতা স্মারক সামঞ্জস্যপূর্ণ। পাশাপাশি, ২০২৬ সালের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সামার দাভোস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী ও সিআরসিসির চেয়ারম্যানের মধ্যে হওয়া ঐকমত্যের ধারাবাহিকতাও এ চুক্তিতে প্রতিফলিত হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে, বিশেষ করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে, চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।