গলাচিপায় সংখ্যালঘু পরিবারকে মারধর, হাসপাতালে ভর্তি

পটুয়াখালীর গলাচিপায় সংখ্যালঘু পরিবারকে মারধর করার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের কিসমত হরিদেবপুর গ্রামে নির্মল হাওলাদারের বাড়িতে।
গুরুতর আহত গৌতম হাওলাদার (৪৬) হচ্ছেন মৃত নির্মল হাওলাদার এর ছেলে।
সংখ্যালঘু গুরুতর আহত গৌতম হাওলাদার বলেন, জমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে আমাদের বাড়িতে রাতের আধারে আমাদের একই এলাকার নাসির ও নজরুল জমা জমি নিয়ে শুক্রবার বিকেলে মানিত সালিশির মাধ্যমে বসার কথা। গতকাল মঙ্গলবার রাতে আমাদের জায়গায় কে বা কাহারা সাইনবোর্ড দেয় রাতে আমরা দেখতে না পেয়ে এলাকার মানুষের মাধ্যমে সাইনবোটটি খুলে রাখি। সকাল বেলা কুদ্দুস প্যাদার চায়ের দোকানে আমি বসে থাকলে আমাকে নাসির ও নজরুল সহ আরো নাম না জানা অনেকে এসে এলো পাথারীভাবে পিটাতে থাকে আমার ডাক-চিৎকারে এলাকাবাসী এসে পড়লে মারধর কারিরা পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী আমাকে উদ্ধার করে। গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার মিমি দাস বলেন, আহত গৌতমের শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুলো জখম রয়েছে। মাথায় আঘাত লেগেছে। গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় ১০ নম্বর বেডে ভর্তি রয়েছে।
এ বিষয়ে আহত গৌতম হাওলাদারের স্ত্রী জয়ন্তি রানী হাওলাদার বলেন, আমার স্বামীকে এলোপাথাড়ি ভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। আমি এদের বিচার চাই।
গৌতম হাওলাদারের ভাই সমীর হাওলাদার বলেন, আমরা সংখ্যালঘু পরিবার। আমার ভাইকে এলোপাথাড়ি ভাবে পিটিয়েছে আমি এর সঠিক বিচার চাই।
চায়ের দোকানদার কুদ্দুস প্যাদা বলেন, গৌতম হাওলাদার আমার দোকানে চা খাওয়া অবস্থায় নাসির ও নজরুল সহ আরো অনেকে মারধর করেছে।
পথচারী বিপিন সিকদার বলেন, গৌতম কে এলোপাথাড়ি ভাবে পিটিয়েছে।
এ বিষয়ে নজরুল ও নাসির এর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তাদের ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ইউ পি সদস্য দুলাল প্যাদা বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি।
ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ আকন বলেন, ঘটনাস্থলে চৌকিদারকে পাঠানো হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে মীমাংসার ব্যবস্থা করব।
গোলখালী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মাসুদ খন্দকার বলেন, এ বিষয়ে শুক্রবার বসার কথা রয়েছে। কিন্তু মারামারি হয়েছে আমি সেটা জানি না।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেলে প্রয়োজন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
