যমুনা প্রতিদিন
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
শিরোনাম
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

রবিবার শ্যামা পুজো, দিপাবলী আলোর উৎসব

স্বপন কুমার রায়, খুলনা : প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম

অন্ধকারের উপর আলোর জয়, অশুভ শক্তির বিনাশ এবং নতুন আশার সূচনা। এই বার্তাই বহন করে দীপাবলি (Diwali) বা আলোর উৎসব।

বড় এই উৎসব ঘিরে প্রতি বছর মেতে ওঠেন দেশের কোটি কোটি মানুষ। বাড়ি সাজানো, প্রদীপ জ্বালানো, রংবেরঙের আলপনা, মিষ্টিমুখ এবং লক্ষ্মী-গণেশের পুজোয় উদযাপিত হয় দীপাবলি।

তবে শুধু একটি পৌরাণিক কাহিনি নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নানা ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এই উৎসবের তাৎপর্য। এইবাত্তাই বহণ করে দীপাবলী (Diwali 2026) বা আলোর উৎসব।

এই উৎসবকে ঘিরে প্রতিবছর সনাতনী ধর্মলম্বীরা বাড়ি সাজানো, প্রদীপজ্বালানো, রংবেরঙের আলপণা, মিষ্টিমুখ এবং লক্ষী-গণেশের পুজোয় উদযাপিত হয় দীপাবলি। তবে শুধু একটি পৌরণিক কাহিনি নয়,দেশের বিভিন্নপ্রান্তে নানা ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এই উৎসবের তাৎপর্য।

২০২৬ সালে দীপাবলি পালিত হবে ৮ নভেম্বর, রবিবার। হিন্দু চান্দ্র পঞ্জিকার কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে মূলত এই উৎসব উদযাপিত হয়। এই দিন সন্ধ্যায় দেবী লক্ষ্মী ও ভগবান গণেশের পুজো বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্বাস করা হয়, নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো এবং প্রদীপ জ্বালালে ঘরে সুখ, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য আসে।কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে ধনতেরাস পালন করা হয়। এবং ত্রয়োদশী তিথির জন্যই ১৩টি প্রদীপ জ্বালানো হয়। এর মধ্যে প্রথম প্রদীপটি মৃত্যুর দেবতা যমরাজের উদ্দেশ্যে দক্ষিণ মুখ করে জ্বালানো হয়। পরিবারের সদস্যদের বিপদ থেকে রক্ষা করতেই এই প্রদীপ দেওয়া হয়।

এছাড়াও স্বাস্থ্য, মা লক্ষ্মী ও কুবেরকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে মোট ১৩টি প্রদীপ দেওয়া হয়। অনেক প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই ১৩টি প্রদীপ বছরের ১৩টি চন্দ্র মাস বা ১৩টি জীবনীশক্তিরও প্রতীক।