সারিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ফেরাতে সভাপতি হিসেবে আবারও পলাশ মন্ডলকে চান শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা

স্টাফ রিপোর্টাট: জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে বগুড়ার সারিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও পরিবেশ উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন এডহক কমিটির সভাপতি, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা মুজাহিদুল ইসলাম পলাশ।
দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে তিনি বিদ্যালয়টিতে ফিরিয়ে এনেছেন এক প্রাণবন্ত একাডেমিক পরিবেশ। দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্ম লচারীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করার মাধ্যমে তিনি প্রতিষ্ঠানটিতে শৃঙ্খলার এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি থানা পুলিশের সহযোগিতায় ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে তার “জিরো টলারেন্স” অবস্থান শিক্ষার্থীদের জন্য গড়ে তুলেছে এক নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন।
দীর্ঘ ১৭ বছরের অবক্ষয় কাটিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার নিরলস প্রচেষ্টা স্থানীয় সচেতনমহল ও অভিভাবকদের কাছে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। তিনি কেবল একজন প্রশাসনিক প্রধান হিসেবেই নয়, বরং শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। বিদ্যালয়ের এই ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারাকে অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং শিক্ষাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সমাজ মুজাহিদুল ইসলাম পলাশকে পুনরায় এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রদানের জন্য বগুড়া-১ আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলামের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।
সচেতন মহলের প্রত্যাশা, তার হাত ধরেই সারিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় তার হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করে এ অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে পরিণত হবে।
এ বিষয়ে সারিয়াকান্দি পৌর বিএনপি’র সহ-সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা মুজাহিদুল ইসলাম পলাশ মন্ডল বলেন, “আমি একটি কঠিন সময়ে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছিলাম। দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষার মান উন্নয়ন, শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করেছি। ভবিষ্যতে পুনরায় দায়িত্ব পেলে মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলামের সহযোগিতায় বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণে সর্বাত্মক চেষ্টা করব। এজন্য শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।”
