যমুনা প্রতিদিন
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
শিরোনাম
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

১২০০ পিস ইয়াবাসহ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক গ্রেফতার

যমুনা প্রতিদিন ডেস্ক : প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫১ এএম

ইয়াবা কেনাবেচার প্রস্তুতির সময় ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ২০০ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে গ্রেফতার পাঁচজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, বুধবার (২৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ময়মনসিংহ নগরের সেওড়া মুন্সিবাড়ি এলাকার একটি দোতলা বাড়ির নিচতলার কক্ষ থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।

গ্রেফতার মনিরুল ইসলাম (৩০) ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চর ঘাগড়া গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

গ্রেফতার অন্য চারজন হলেন, ত্রিশাল উপজেলার শাকির হোসেন (২৫), শহরের মধ্য বাড়েরা এলাকার জাকিরুল ইসলাম (৩২), সদর উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের সজীব মিয়া (২০) এবং শহরের সারদা ঘোষ রোড এলাকার উৎসব সিং সাগর (২৮)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি জানতে পারে, নগরের সেওড়া মুন্সিবাড়ি এলাকায় উজ্জ্বল মিয়ার বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে কয়েকজন মাদক কারবারি ইয়াবা কেনাবেচার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পরে ডিবির একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তাদের দেহ তল্লাশি করে ১ হাজার ২০০ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রিপন উদ্দিন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে কোতোয়ালি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

এদিকে, ছাত্রদল নেতার গ্রেফতারের বিষয়ে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজিজুল হাকিম বলেন, মাদকসহ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামের গ্রেফতারের বিষয়টি জানার পর তিনি কেন্দ্রীয় কমিটিকে জানিয়েছেন। মনিরুলের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ব্যক্তির দায় দল নেবে না।

আজিজুল হাকিম আরও বলেন, কমিটি গঠনের সময় প্রত্যেকের বিষয়ে যাচাই-বাছাই করেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। মনিরুল মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তা জানা ছিল না। এখন কেউ খারাপ কাজে যুক্ত হলে দল অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। কোনো খারাপ কাজকে তারা উৎসাহিত করেন না।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুল হক বলেন, গ্রেফকার ব্যক্তিদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। চক্রটি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তবে তারা কোথা থেকে মাদক সংগ্রহ করতেন এবং কোথায় বিক্রি করতেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য দেননি।