যমুনা প্রতিদিন
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
শিরোনাম
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

সিংড়ায় ফসলি জমির মাটি কাটার অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে সচিবালয়ে আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম

নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ফসলি জমির মাটি কেটে পুকুর খনন ও ড্রাম ট্রাকে মাটি পরিবহনের অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার দুটি পৃথক এলাকায় এসব কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে তদন্ত ও প্রতিকার চেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর আবেদন করেছেন সাংবাদিক মোঃ বেল্লাল হোসেন বাবু।

রোববার (২৫ অক্টোবর) ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো ওই আবেদনে অভিযোগের সত্যতা যাচাই, সরেজমিন তদন্ত এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জেনারেল গ্রিভ্যান্স রিড্রেস সিস্টেমের (জিআরএস) মাধ্যমে অভিযোগ পাঠাতে সমস্যার কারণে ই-মেইলে আবেদনটি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

আবেদনে উল্লেখ করা প্রথম ঘটনাস্থল উপজেলার ২ নম্বর ডাহিয়া ইউনিয়নের আয়েশ গ্রাম। সেখানে সিংড়া-বারুহাস সড়কসংলগ্ন মোজাম্মেলের বাড়ির দক্ষিণ পাশে আনুমানিক ১১ বিঘা ধানি জমিতে ভেকু দিয়ে পুকুর খনন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। জমিটি হায়দার মোল্লা গংয়ের মালিকানাধীন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ কাজে ব্যবহৃত ভেকুর মালিক হিসেবে বিয়াশ চকপাড়ার হামিদুলের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্য অভিযোগটি উপজেলার ৩ নম্বর ইটালী ইউনিয়নের ছাতুয়া-কুমগ্রাম এলাকার। সেখানে রাস্তার কাজের কথা বলে দীর্ঘদিন ধরে ফসলি জমির মাটি কেটে ড্রাম ট্রাকে পরিবহন করা হচ্ছে বলে আবেদনে দাবি করা হয়েছে।

আবেদনকারীর আশঙ্কা, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি জমির শ্রেণি পরিবর্তন এবং সরকারি সড়ক ও অবকাঠামোর ক্ষতি হতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মাটি কাটার অনুমোদন ও বৈধতা যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাতের সরকারি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে আবেদনে উল্লেখ করেছেন আবেদনকারী।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও মাটি কাটার বৈধতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।