যমুনা প্রতিদিন
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
শিরোনাম
• গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা ঘোষণা ও পুলিশ হামলা বন্ধের দাবি • অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে মানববন্ধনে অংশ নেওয়ায় স্কুলছাত্রের ওপর হামলা-গুলি • নড়াইলে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধার, প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর • মোহনপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা, ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা লুট • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহনের সময় ৮০ বস্তা সার জব্দ, দুজনের কারাদণ্ড • লুটের টাকা ঢেলে শেখ হাসিনা দেশে অস্থিরতা তৈরি করছে : তথ্য উপদেষ্টা • নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার • ডেঙ্গুতে মারা গেলেন জুলাই যোদ্ধা চন্দন
লিঙ্ক কপি হয়েছে!

মান্দায় হরিলুট: অস্তিত্বহীন রাস্তায় কাবিটার টাকা পকেটে পুরলেন পিআইও!

যমুনা প্রতিদিন ডেস্ক প্রকাশিত: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৭ এএম

​নিজস্ব প্রতিনিধি:
নওগাঁর মান্দায় নতুন রাস্তা নির্মাণের নামে কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা) প্রকল্পের পুরো টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। প্রবাদ আছে, “কাজীর গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই”—বাস্তবে ঠিক এমন ঘটনাই ঘটেছে উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের কাঁশোপাড়া ফ্যালেঙ্গাপাড়া গ্রামে। গ্রামের সোবহানের বাড়ি থেকে মহসিন প্রফেসরের বাড়ি অভিমুখী নতুন রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পটি কাগজে-কলমে শেষ দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি।

​অনুসন্ধানে জানাগেছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে উক্ত রাস্তা নির্মাণের জন্য কাবিটা প্রকল্প থেকে ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। নিয়মানুযায়ী বরাদ্দকৃত কাজটি ২০২৬ সালের জুন মাসের মধ্যেই শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। তবে নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলেও বাস্তবে রাস্তার কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি । অথচ প্রকল্পের তথ্যঅনুযায়ী, বরাদ্দের পুরো বিল উত্তোলন করে নেওয়া হয়েছে।

​এ বিষয়ে প্রকল্পের সভাপতি (পিআইসি) মফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “প্রকল্পের বরাদ্দ বা কাজ সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। শুধু মজুরি দিয়ে আমাকে কাজ করানো হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় কর্মরত খাদ্য কর্মকর্তা অহিদুুল ইসলামই এ বিষয়ে সব জানেন। মান্দা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আরিফুল ইসলামের দুর সম্পর্কে মামা হওয়ার সুবাদে অহিদুল ইসলামের সাথে লিয়াজু করে কর্মকর্তা নিজেই এই বরাদ্দ দিয়েছেন।

​এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আরিফুল ইসলাম বলেন, রাস্তাটির কাজ এখনো করা হয়নি। বর্ষা মৌসুম শেষ হলে কাজটি করা হবে বলে তিনি জানান। তবে কাজ না করেই বিল উত্তোলনের বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করেননি। প্রকল্পের সভাপতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সভাপতি কাজের বিষয়ে কিছুই জানে না। তাকে ‘ফরমালিটি’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে তার নিকট থেকে কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি।