বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এক যুগ পরে নিজের গানে মডেল হলেন ফারদিন রাজশাহীতে বিএনপির গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের কক্ষে থেকে মাদক-অস্ত্র উদ্ধার ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কটুক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ বাঘায় (অনুর্ধ-১৭) প্রথম খেলায় ১-০ গোলে মনিগ্রাম ইউপি,দ্বিতীয় খেলায়-৩-১ গোলে পাকুড়িয়া জয়ী পাইকগাছায় প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও ঝাড়ু মিছিল একটি মানবিক আবেদন গলাচিপায় শিশু শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় মুগ্ধ হলেন পরিকল্পনা সচিব রাজশাহীতে ফজরের নামাজ পড়ে হাটাহাটির সময় যুবককে হত্যা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ফরিদপুর জেলা কমিটির উপদেষ্টা এ কে আজাদ এমপি
নোটিশ :
দেশের জনপ্রিয় সর্বাধুনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণকৃত রাজশাহী কর্তৃক প্রকাশিত নতুনধারার অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘যমুনা প্রতিদিন ডট কম’

তাহেরপুরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড মহল্লা খয়রার মোঃ আল-আমিন ফরাসী (২৫) কে রাস্তা থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গলায় হাসুয়া ঠেকিয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একাই এলাকার জামাল উদ্দিন, তার ভাই কামাল ও তাদের পিতার বিরুদ্ধে।

ঘটনার শিকার আল-আমিন বলেন, গত ২৭ জুন (বৃহস্পতিবার) আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের সময় আমি তাহেরপুর বাজার হতে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ীতে আসার পথে আমার গ্রামের (খয়রা) মোঃ হানিফ মৌলবির বসতবাড়ীর পার্শ্বে পৌঁছা মাত্রই হটাৎ করে মোঃ কামরুল ইসলাম কমিন ও মোঃ কামাল প্রাং, মোঃ জামাল উদ্দিন আমার মটরসাইকেল গতিরোধ করে দাঁড়ায় এবং আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।এক পর্যায়ে জামাল ও কামাল আমাকে মোটর সাইকেল হতে টানা হেচড়া করে নামায় এবং জোরপূর্বকভাবে তাহাদের বসতবাড়ীতে নিয়ে যায় এবং তাহাদের শয়ন ঘরের ভিতরে আমাকে আটকে রেখে জামাল ও কামাল আমাকে এলোপাতাড়ী কিল, ঘুষি, লাথি মারতে থাকে। এ সময় জামাল ও কামাল আমার কাছে থাকা পুকুরের মাছের খাবার কেনার টাকা কোমরে লুঙ্গির মুড়ায় থাকা ২,৯০,০০০/ (দুই লক্ষ নব্বই হাজার) টাকা ছিনিয়ে নেয়।পরে জামাল ও কামাল তাহদের হাতে থাকা হাসুয়া আমার গলায় ঠেকিয়ে ৩০০/ (তিনশত) টাকা ষ্ট্যাম্পে জোরপূর্বক ভাবে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।আমাকে মোটর সাইকেল থামিয়ে রাস্তা তেকে তুলে নিয়ে যাবার সময় এলাকার মোঃ আনিছুর রহমান, পিতা: মৃত চিকন মোল্লা ঘটনা স্থলে উপস্থিত থেকে পুরো ঘটনাটি দেখে।

আল-আমিন আরো বলেন, আমার বাবা দাউদ ফরাসী অভিযুক্ত জামালকে বিদেশে (মালইসিয়া) কাজের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, বিদেশ গিয়ে জামালকে একটি কাজ দেয় সেই কাজটি জামালের পছন্দ না হওয়ায সেখানে আমার বাবাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও জামালকে দেশে পাঠানোর কথা বলে এক পর্যায়ে আমার বাবা জামালকে দেশে পাঠিয়ে দেয় এবং জামাল দেশে আসার পরে বিদেশ পাঠানোর কোন প্রকার টাকা তার দাবি থাকবে না বলে বাবাকে জানান।কিন্তু গত কোরবানির ঈদের আগের দিন জামাল দেশে আসে এবং গত ২৭ তারিখে সেই বিদেশে যাওয়াকে কেন্দ্র করে সে টাকা ফেরত নিবে বলে আমার উপরে এ ধরনের হামলা চালায়, আমি এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামাল ও কামালের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, বিদেশে টাকা নিয়ে তাদের মাঝে কোন ধরনের সমস্যা নাই এবং গত ২৭ তারিখে আলামিনকে ধার দেওয়া ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ফেরত চাইলে তাদের মাঝে বাগবিতণ্ডার বা সামান্য কথা কাটাকাটি হয় এছাড়া আর কিছুই নয়।

জামালের পিতা জানান, গত মে মাসের ২ তারিখে আলামিনকে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ধার দেয়া হয় দুই মাস মেয়াদে, সেই টাকা বর্তমানে তাদের প্রয়োজন হওয়ায় আলামিনের কাছ থেকে ফেরত চাইলে তালবাহানা শুরু করে বিধায় আল আমিনের সাথে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আনিসুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, কামাল এবং জামাল ও তার পিতা কে আলামিন কে রাস্তায় মোটার সাইকেল থামিয়ে তুলে নিয়ে যেতে দেখে, কিন্তু স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওযার বিষয়টি তিনি দেখেনি।

এ বিষয়ে আল-আমিন সে দিনই বাগমারা থানায় এ বিষয়ে মোঃ কামাল, মোঃ জামাল এবং তাদের পিতা মোঃ কামরুল ইসলাম কমিনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বাগমারা থানার ওসি অরবিন্দ সরকার-এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, থানার কাজে বাইরে থাকায় বিষয়টি তিনি পুরোপুরি অবগত নেই, তবে অভিযোগ দিয়ে থাকলে ঘটনাটি তাহেরপুর পৌরসভার ফলে তদন্তের জন্য তাহেরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।এ বিষয়ে তাহেরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

5 × one =


অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ

x
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com