বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এক যুগ পরে নিজের গানে মডেল হলেন ফারদিন রাজশাহীতে বিএনপির গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের কক্ষে থেকে মাদক-অস্ত্র উদ্ধার ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কটুক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ বাঘায় (অনুর্ধ-১৭) প্রথম খেলায় ১-০ গোলে মনিগ্রাম ইউপি,দ্বিতীয় খেলায়-৩-১ গোলে পাকুড়িয়া জয়ী পাইকগাছায় প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও ঝাড়ু মিছিল একটি মানবিক আবেদন গলাচিপায় শিশু শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় মুগ্ধ হলেন পরিকল্পনা সচিব রাজশাহীতে ফজরের নামাজ পড়ে হাটাহাটির সময় যুবককে হত্যা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ফরিদপুর জেলা কমিটির উপদেষ্টা এ কে আজাদ এমপি
নোটিশ :
দেশের জনপ্রিয় সর্বাধুনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণকৃত রাজশাহী কর্তৃক প্রকাশিত নতুনধারার অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘যমুনা প্রতিদিন ডট কম’

আ.লীগ নেতা আশরাফুল ইসলাম বাবুলের জানাজা সম্পন্ন : বাবার কবরের পাশে চিরশায়িত

রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলের জানাজা নামাজ শেষে দাফন কাজ সম্পূর্ণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় বাঘা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।পরে বাঘা পৌরসভার ৫ নম্বর ওযার্ডের গাওপাড়া গ্রামে পারিবারিক গোরস্থানে বাবা আমিরুল ইসলাম আমুর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

জানাজা নামাজের আগে জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন আ.লীগ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমকে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

জানাযায়,গত ২২ জুন উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংর্ঘষের ঘটনায় বাঘা উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম গুরুত্বর ভাবে আহত হন। তারপর রাজশাহী মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  ৪ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গত ২৬ জুন বুধবার বিকেলে মৃত্যুবরন করেন।

২৭ জুন সকালে মরহুম আশরাফুল ইসলাম বাবুলের বাসায় গিয়ে দেখা যায়, প্রিয় নেতাকে এক পলক দেখার জন্য ভীড় জমিয়েছেন। সেখান থেকে বাবুলের লাশ বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয় এবং সকাল ১১ টায় বাঘা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাযা সম্পন্ন করে বাবার কবরের পাশে চিরশায়িত করা হয়।

জানাজায় রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, বাবুল হত্যার বিষয়ে গোপনে যারা মদদ দিয়েছেন তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। যারা বাবুল হত্যাককারীদের মদদ দিয়েছেন তাদের প্রত্যেকের বিচারের আওতায় আনা হবে। এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, এমপি আসাদুজ্জাম আসাদ ও লায়েব উদ্দিন লাভলু কেন জানাজায় আসেনি। তাদের সৎ সাহস নেই। তাই তারা এই জানাজায় উপস্থিত হয়নি। তাদের নামে মামলা করা হবে এবং প্রয়োজনে আইনের কাঠ গড়ায় দাঁড় করানো হবে।

জানাজায় রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, বাবুল হত্যার বিষয়ে গোপনে যারা মদদ দিয়েছেন তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। যারা বাবুল হত্যাকারীদের মদদ দিয়েছেন তাদের প্রত্যেকের বিচারের আওতায় আনা হবে। এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, এমপি আসাদুজ্জামান আসাদ ও লায়েব উদ্দিন লাভলু কেন জানাজায় আসেনি। তাদের সৎ সাহস নেই। তাই তারা এই জানাজায় উপস্থিত হয়নি। তাদের নামে মামলা করা হবে এবং প্রয়োজনে আইনের কাঠ গড়ায় দাঁড় করানো হবে ।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দূর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ দারা, রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সাবেক সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা. চিন্ময় কুমার, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল প্রমুখ।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে উপস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অনিল কুমার সরকারকে চলে যেতে বলা হয়। সেখান থেকে তিনি কাউকে কিছু না বলে চলে যান তবে এ বিষয়ে অনিল কুমারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে মরহুম বাবুলকে শেষ শ্রদ্ধা ও পরিবারকে সমবেদনা জানাতে সেখানে গিয়েছিলাম। এরমধ্যে পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ আমাকে কিছু বুঝে উঠার আগে জানাজার মাঠ থেকে চলে যেতে বলে। কাউকে কিছু না জানিয়ে সেখান থেকে চলে এসেছি।

এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার বলেন, চারদিন থেকে বাবুল হাসাপাতালে চিৎিসাধীন ছিলেন। তিনি সংগঠনের মূল দায়িত্বে থাকার পরও হাসপাতালে দেখতে যাননি। এ ক্ষোভ থেকে কিছু নেতাকর্মীরা তাকে জানাজার মাঠ থেকে চলে যেতে বলেন। তাৎক্ষনিক তিনি সেখান থেকে চলে যান।

মা সালেহা বেগমের সাথে বাবুলের শেষ কথা : ২২ জুন সকালে নিজ বাড়ি থেকে মানববন্ধনে যাওয়ার আগে মা জানিয়েছিলেন ওজু, গোসল, বিশুদ্ধ খাবার পানি সমস্যার কথা। এ সময় ছেলে জানায় এখন একটি প্রোগ্রামে যাচ্ছি মা, ফিরে এসে তোমার পানির সমস্যার সমাধান করে দিব। কিন্তু ছেলে আর ফিরে আসেনি। এসেছে লাশ হয়ে। তার হত্যার সাথে জড়িতদের বিচারের দাবি করেন তিনি।

বড় ভাই আনজারুল ইসলামে কথা : বাবুল আমার ছোট ভাই। সে কোন অন্যায় করুক বা না করুক বকাবকি করলেও কোন জবাব দেয়না। কোন উত্তর করে না। সরল সোজা সাদা সিদে একজন মানুষ ছিলেন। সে সাধারণ জীবন যাপন  করতো। তার রাজনৈতিক জীবনে আওয়ামী লীগের মূল ধারার সাথে ছিলেন। সে ১৩ বছর  উপজেলা যুব লীগের সভাপতি এবং পরপর দুই বার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়া তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে বাঘা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সে শিক্ষার্থীদের মাঝেও প্রিয় শিক্ষক হিসেবে স্থান করে নেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

seven + 18 =


অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ

x
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com