সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ১০:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টাঙ্গাইলের মধুপুরে টিওটি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত রাজশাহী রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান অতিরিক্ত সচিব পদে পদন্নোতি পেলেন কিশোরগঞ্জের সন্তান আব্দুর রউফ প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহের শেষ দিনে কাজিপুরে সচেতনামূলক কর্মশালা ও পুরস্কার বিতরণী সুন্দরগঞ্জে গ্রাম পুলিশদের অবহিতকরণ প্রশিক্ষণ শুরু পঞ্চগড়ে জেলা প্রশাসকের গাড়ি ভাঙচুর, যুবক আটক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেনের মৃত্যুতে রাসিক মেয়রের শোক রাসিক‘কে সুদৃঢ় আর্থিক ভিত্তির উপর দাঁড় করতে চাই : মেয়র লিটন বাগেরহাট বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়  নির্বাচিত হচ্ছেন তিন প্রার্থী  তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে ৯টি হারানো ফোন উদ্ধার করে মালিকদের ফিরিয়ে দিল সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ
নোটিশ :
দেশের জনপ্রিয় সর্বাধুনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণকৃত রাজশাহী কর্তৃক প্রকাশিত নতুনধারার অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘যমুনা প্রতিদিন ডট কম’

নাগরপুরে গণহত্যা দিবস পালিত

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে ।

দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (২৫ মার্চ)২০২৪ সকালে নাগরপুর উপজেলার বনগ্রাম গণকবরে উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সহ গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি দোয়া করা হয়।

পুস্পস্তবক অর্পণ ও দোয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজা মোঃ গোলাম মাসুম প্রধান, নাগরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ এইচ এম জসিম উদ্দিন, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সরোয়ার ছানা, বনগ্রাম শহীদ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুর রহমান ফজলু সহ গ্রামবাসী।

পরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ২০২৪ উদযাপ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজা মোঃগোলাম মাসুম প্রধান এর সভাপতিত্বে গণহত্যা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তবারা বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ছামিনা বেগম শিপ্রা প্রমুখ।

আলোচনা সভায় মুক্তিযোদ্ধা, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য:- ১৯৭১ সালের এই দিনে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের বনগ্রাম রসুলপুরে (২৫ অক্টোবর) বর্বরোচিত হামলা করে পাক হানাদার বাহিনী।হামলায় নিরীহ গ্রামবাসী সহ ৫৭ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নির্মম ভাবে হত্যা করা সহ আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয় বসত বাড়ি।সেই সাথে পুড়িয়ে মারা হয় অসংখ্য অসহায় গবাদি পশু।এমন হত্যা যজ্ঞ শেষে পাক হানাদার বাহিনী চলে গেলে গ্রামবাসীর সহায়তায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের দেয়া হয় গণ কবর।সেই থেকে প্রতি বছর এই দিনে (২৫ মার্চ) শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানাতে মুক্তিযোদ্ধা, উপজেলা প্রশাসন ও নিহত মুক্তিযোদ্ধার পরিবার সহ গ্রামবাসীরা ছুটে যান এ গণ কবরে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five × 1 =


অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ

x