ঢাকা ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ১৭ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
দেশের জনপ্রিয় সর্বাধুনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণকৃত রাজশাহী কর্তৃক প্রকাশিত নতুনধারার অনলাইন নিউজ পোর্টাল 'যমুনা প্রতিদিন ডট কম' এ সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।
সংবাদ শিরোনাম :
৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় ২২টি গরু সহ একজন আটক চারঘাটে ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট মালিকের বিরুদ্ধে আয়কর ফাঁকির অভিযোগ পত্নীতলায় জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম কলেজ প্রাক্তন ছাত্রলীগ পরিষদের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত ৭টি উপ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করা আহ্বান বঙ্গদ্বীপ এম এ ভাসানীর নড়াইলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে স্ত্রীকে নির্যাতন ও মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ কুড়িগ্রাম সদরে জমি নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১৫ শেখ হাসিনার গাড়ি বহর হামলা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমানসহ দুজন  চাটখিলে দিনমজুরের লাশ উদ্ধার

চিকিৎসার খরচ জোগাতে না পেরে মেয়েকে ভারতে রেখে পালিয়ে আসলেন বাবা-মা

সঞ্জিব দাস,গলাচিপা(পটুয়াখালী)
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩ ৯৭ বার পড়া হয়েছে
যমুনা প্রতিদিন অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটুয়াখালীর এসিড দগ্ধ কলেজ ছাত্রী (১৭) ভারতের ভেলরের সিএমসি হাসপাতালে চিকিৎসার অভাবে কাতরাচ্ছেন।

জানা গেছে,মেয়েটির বাবা রাজা গাজী ও মা আকলিমা বেগম চিকিৎসার খরচ যোগাতে না পেরে মেয়েকে সেখানে ফেলে পালিয়ে এসেছেন।

চিকিৎসাধীন মেয়েটি সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি বৃহস্পতিবার পটুয়াখালীর পুলিশ সুপারকে  তার চিকিৎসার ব্যবস্থার আকুতি জানিয়ে বলে স্যার আমি বাচঁতে চাই আমাকে বাচাঁন।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার সাইদুল ইসলাম বলেন,হোয়াটসঅ্যাপে ভারতের ভেলোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এসিড দগ্ধ ভুক্তভোগী তাকে ফোন করে জানিয়েছেন।

তিন মাস আগে মেয়েটির মা-বাবা তাকে চিকিৎসার জন্য এ ভারতে নিয়ে যান এর তিন সপ্তাহ পর তার বাবা-মা রাজা গাজী বাংলাদেশে চলে আসেন। বাবা-মা দুজনেই চলে আসায় এখন তার চিকিৎসা চলছে না টাকার অভাবে তার চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাচ্চে।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালী থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, মেয়েটির চাচাতো ভাইদের সাথে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল।

তাই নিজেদের মধ্যে বিরোধে চাচাতো ভাইরা মেয়েটির মুখে এসিড ছুড়ে মারেন পরে মেয়েটির খালা রেবেকা বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন অবস্থায় আছেন।

জানা গেছে, এসিড দগ্ধ মেয়েটি পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী এবং পটুয়াখালীর বাসিন্দা।

গত বছরের ২ আগস্ট রাতে তার উপর এসিড নিক্ষেপ করে তার চাচাতো ভাইরা এরপর তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রেফার করা হয় এবং পরে বরিশাল থেকেও পাঠিয়েদেন ঢাকা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ণ ইনস্টিটিউটে সেখানে ভর্তি করা হয়। পরে তার চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকরা ২০ লাখ টাকা লাগবে জানালে তার বাবা তাকে বাড়ি নিয়ে যান।

কিন্তু কিছুদিন পর অসহ্য যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকলে তিন মাস আগে তার বাবা রাজা গাজী ও মা আকলিমা বেগম তাকে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার ভারতের ভেলোরের সিএমসি হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ভারতে আসার তিন সপ্তাহ পরই তার বাবা দেশে চলে আসেন পরে তার বাবা আর টাকা না পাঠানোর কারণে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায় এবং কিছুদিন পর তার মা তাকে হাসপাতালে রেখে বাংলাদেশে চলে আসেন।

এই ব্যাপারে ভুক্তভোগীর বাবা রাজা মিয়া জানান,আমি একজন কৃষক সামান্য জমি জমা চাষ করে সংসার চালাই।

মেয়ের চিকিৎসার টাকা সংগ্রহ করতে আমি দেশে এসেছি এখনো টাকা সংগ্রহ করতে পারিনি আমি এখন আমার মেয়ের চিকিৎসা চালতে পারছি না বাবা হয়ে মেয়েকে অচেনা দেশে রেখে পালিয়ে আসতে হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চিকিৎসার খরচ জোগাতে না পেরে মেয়েকে ভারতে রেখে পালিয়ে আসলেন বাবা-মা

আপডেট সময় : ০৭:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩

পটুয়াখালীর এসিড দগ্ধ কলেজ ছাত্রী (১৭) ভারতের ভেলরের সিএমসি হাসপাতালে চিকিৎসার অভাবে কাতরাচ্ছেন।

জানা গেছে,মেয়েটির বাবা রাজা গাজী ও মা আকলিমা বেগম চিকিৎসার খরচ যোগাতে না পেরে মেয়েকে সেখানে ফেলে পালিয়ে এসেছেন।

চিকিৎসাধীন মেয়েটি সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি বৃহস্পতিবার পটুয়াখালীর পুলিশ সুপারকে  তার চিকিৎসার ব্যবস্থার আকুতি জানিয়ে বলে স্যার আমি বাচঁতে চাই আমাকে বাচাঁন।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার সাইদুল ইসলাম বলেন,হোয়াটসঅ্যাপে ভারতের ভেলোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এসিড দগ্ধ ভুক্তভোগী তাকে ফোন করে জানিয়েছেন।

তিন মাস আগে মেয়েটির মা-বাবা তাকে চিকিৎসার জন্য এ ভারতে নিয়ে যান এর তিন সপ্তাহ পর তার বাবা-মা রাজা গাজী বাংলাদেশে চলে আসেন। বাবা-মা দুজনেই চলে আসায় এখন তার চিকিৎসা চলছে না টাকার অভাবে তার চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাচ্চে।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালী থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, মেয়েটির চাচাতো ভাইদের সাথে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল।

তাই নিজেদের মধ্যে বিরোধে চাচাতো ভাইরা মেয়েটির মুখে এসিড ছুড়ে মারেন পরে মেয়েটির খালা রেবেকা বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন অবস্থায় আছেন।

জানা গেছে, এসিড দগ্ধ মেয়েটি পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী এবং পটুয়াখালীর বাসিন্দা।

গত বছরের ২ আগস্ট রাতে তার উপর এসিড নিক্ষেপ করে তার চাচাতো ভাইরা এরপর তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রেফার করা হয় এবং পরে বরিশাল থেকেও পাঠিয়েদেন ঢাকা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ণ ইনস্টিটিউটে সেখানে ভর্তি করা হয়। পরে তার চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকরা ২০ লাখ টাকা লাগবে জানালে তার বাবা তাকে বাড়ি নিয়ে যান।

কিন্তু কিছুদিন পর অসহ্য যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকলে তিন মাস আগে তার বাবা রাজা গাজী ও মা আকলিমা বেগম তাকে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার ভারতের ভেলোরের সিএমসি হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ভারতে আসার তিন সপ্তাহ পরই তার বাবা দেশে চলে আসেন পরে তার বাবা আর টাকা না পাঠানোর কারণে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায় এবং কিছুদিন পর তার মা তাকে হাসপাতালে রেখে বাংলাদেশে চলে আসেন।

এই ব্যাপারে ভুক্তভোগীর বাবা রাজা মিয়া জানান,আমি একজন কৃষক সামান্য জমি জমা চাষ করে সংসার চালাই।

মেয়ের চিকিৎসার টাকা সংগ্রহ করতে আমি দেশে এসেছি এখনো টাকা সংগ্রহ করতে পারিনি আমি এখন আমার মেয়ের চিকিৎসা চালতে পারছি না বাবা হয়ে মেয়েকে অচেনা দেশে রেখে পালিয়ে আসতে হয়েছে।