ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
দেশের জনপ্রিয় সর্বাধুনিক নিয়ম-নীতি অনুসরণকৃত রাজশাহী কর্তৃক প্রকাশিত নতুনধারার অনলাইন নিউজ পোর্টাল 'যমুনা প্রতিদিন ডট কম' এ সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।
সংবাদ শিরোনাম :
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে অংশীজনের সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন আহমেদ ও কবির বিন আনোয়ারকে সংবর্ধনা রাজশাহীতে চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের নামে আর্ট গ্যালারি করা হবে : রাসিক মেয়র ভারতের প্রমোদতরী ‘গঙ্গা বিলাস’ সুন্দরবনে ৫৯ বিজিবি কর্তৃক শিয়ালমারা ও আজমতপুর সীমান্তে বিদেশী মদ ও ফেন্সিডিল আটক রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুরি হওয়া মেশিন উদ্ধার,আটক ৪ মোরেলগঞ্জে স্হানীয় সাংসদের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ সৈয়দ নজরুল ইসলামের ব্যাক্তিগত উদ্যোগে ৩২ হাজার কম্বল বিতরণ পাইকগাছা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পদ্মায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ট্রাক্টর মালিকের জেল

শখের বশে হাঁস পালন এখন জীবিকা

সাখাওয়াত হোসেন,চলনবিল প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:৩০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৩ ২৮ বার পড়া হয়েছে
যমুনা প্রতিদিন অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শখের বশে হাঁস পালন শুরু করলেও এখন এই হাঁস পালন করেই হোসেন আলীর সংসার চলে।সারাদিন হাঁসের দেখাশোনা করেন তিনি।হাঁস পালনে তার জীবন জীবিকা এমন উন্নতি দেখে অনেকেই হাঁস পালনে ঝুঁকছেন।

জানা যায়, হোসেন আলী সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার ভাদার গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় ১২ বছর ধরে তিনি হাঁস পালন করছেন। এই হাঁস পালনের মাধ্যমেই তিনি স্বচ্ছল হয়েছেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন জাতের ৬০০ হাঁস পালন করছেন। হাঁস পালনে তার সফলতা দেখে অনেকেই হাঁস পালনে ঝুঁকছেন।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, হোসেন আলী হাসিমাখা মুখে ক্ষুধার্ত হাঁসগুলোকে খাবার দিচ্ছেন। হাঁস গুলো নিয়ে এখানে সেখানে ঘুরে বেড়ান। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে হাঁসগুলোকে খাওয়ান। খাবার নিয়ে আসলে সাথে সাথে সবগুলা হাঁস তাকে ঘিরে ধরে।

হোসেন আলী বলেন, আমি প্রায় এক যুগ ধরে হাঁস পালন করছি। হাঁস গুলোকে আমি খুব ভালোবাসি। বর্তমানে আমার ৬০০ হাঁস রয়েছে। তার মধ্যে ২০০টি হাঁস ডিম দেয়। হাঁসগুলোকে দুইবেলা করে খাবার দেই। আবার ঘুরে ঘুরেও খাবার খাওয়াই।

তিনি আরো বলেন, প্রথম দিকে শখ করে দু-একটা হাঁস পালন করলেও এখন এই হাঁস পালনেই আমরা সংসার চলে। হাঁসগুলোকে আমি ধান খাওয়াই। কারণ ধান খাওয়ালে হাঁস বেশি ডিম পাড়ে। তারপর মাঝে মধ্যে খাল-বিলে ছেড়ে দেই। তখন ঘুরে ঘুরে খাবার খায়।

স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী কেরামত আলী বলেন, হোসেন আলীকে অনেকদিন যাবত হাঁস পালন করতে দেখছি। শহরে হাঁসের অনেক চাহিদা। আমি তার কাছ থেকে ডিম নিয়ে এসে বিক্রি করি।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গৌরাঙ্গ কুমার তালুকদার জানান, হাঁস পালন খুব লাভজনক। খুব অল্প খরচেই হাঁস পালন সম্ভব। খাদ্য হিসেবে ধান ও চালের কুঁড়া দেওয়া যায়। আবার বাইরে ছেড়ে দিলে ঘুরে ঘুরে খাবার খায়। হাঁস ৫ মাস বয়সেই ডিম পাড়ে। তাই খুব অল্প খরচে ও স্বল্প সময়েই হাঁস পালনে লাভবান হওয়া যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শখের বশে হাঁস পালন এখন জীবিকা

আপডেট সময় : ০২:৩০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৩

শখের বশে হাঁস পালন শুরু করলেও এখন এই হাঁস পালন করেই হোসেন আলীর সংসার চলে।সারাদিন হাঁসের দেখাশোনা করেন তিনি।হাঁস পালনে তার জীবন জীবিকা এমন উন্নতি দেখে অনেকেই হাঁস পালনে ঝুঁকছেন।

জানা যায়, হোসেন আলী সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার ভাদার গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় ১২ বছর ধরে তিনি হাঁস পালন করছেন। এই হাঁস পালনের মাধ্যমেই তিনি স্বচ্ছল হয়েছেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন জাতের ৬০০ হাঁস পালন করছেন। হাঁস পালনে তার সফলতা দেখে অনেকেই হাঁস পালনে ঝুঁকছেন।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, হোসেন আলী হাসিমাখা মুখে ক্ষুধার্ত হাঁসগুলোকে খাবার দিচ্ছেন। হাঁস গুলো নিয়ে এখানে সেখানে ঘুরে বেড়ান। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে হাঁসগুলোকে খাওয়ান। খাবার নিয়ে আসলে সাথে সাথে সবগুলা হাঁস তাকে ঘিরে ধরে।

হোসেন আলী বলেন, আমি প্রায় এক যুগ ধরে হাঁস পালন করছি। হাঁস গুলোকে আমি খুব ভালোবাসি। বর্তমানে আমার ৬০০ হাঁস রয়েছে। তার মধ্যে ২০০টি হাঁস ডিম দেয়। হাঁসগুলোকে দুইবেলা করে খাবার দেই। আবার ঘুরে ঘুরেও খাবার খাওয়াই।

তিনি আরো বলেন, প্রথম দিকে শখ করে দু-একটা হাঁস পালন করলেও এখন এই হাঁস পালনেই আমরা সংসার চলে। হাঁসগুলোকে আমি ধান খাওয়াই। কারণ ধান খাওয়ালে হাঁস বেশি ডিম পাড়ে। তারপর মাঝে মধ্যে খাল-বিলে ছেড়ে দেই। তখন ঘুরে ঘুরে খাবার খায়।

স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী কেরামত আলী বলেন, হোসেন আলীকে অনেকদিন যাবত হাঁস পালন করতে দেখছি। শহরে হাঁসের অনেক চাহিদা। আমি তার কাছ থেকে ডিম নিয়ে এসে বিক্রি করি।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গৌরাঙ্গ কুমার তালুকদার জানান, হাঁস পালন খুব লাভজনক। খুব অল্প খরচেই হাঁস পালন সম্ভব। খাদ্য হিসেবে ধান ও চালের কুঁড়া দেওয়া যায়। আবার বাইরে ছেড়ে দিলে ঘুরে ঘুরে খাবার খায়। হাঁস ৫ মাস বয়সেই ডিম পাড়ে। তাই খুব অল্প খরচে ও স্বল্প সময়েই হাঁস পালনে লাভবান হওয়া যায়।